সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ঘোষণা করেন যে কোভিড-১৯ মহামারি শেষ। তবে তিনি বেশ আগেভাগেই এমন দাবি করেছেন বলে মনে করছেন মহামারি বিশেষজ্ঞরা। প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে এমন ঘোষণা মার্কিনিদের প্রতিদিনকার জীবনে পরিবর্তন আনবে কিনা তা নিয়েও বিতর্ক রয়েছে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে। অনেকেই বলছেন, এরফলে সাধারণ মানুষ অসাবধান হয়ে উঠতে পারে এবং জনস্বাস্থ্য হুমকিতে পড়তে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাইডেন যা বলেছেন তা আর দশজন মার্কিন নাগরিকের চিন্তার মতোই। তারা শুধু দেখছেন যে, আগের তুলনায় কোভিডে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা কমে এসেছে। ফলে তারা মাস্ক পরা কমিয়ে দিয়েছেন এবং সমাবেশে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। যদিও এখনও প্রতিদিন গড়ে ৪০০ মানুষ কোভিডে মারা যাচ্ছে। তাই কোভিড ভাইরাসকে এখনও হুমকি হিসেবে দেখা উচিৎ প্রেসিডেন্ট বাইডেনের। গত রোববার সিবিএস-এ প্রচারিত সিক্সটি মিনিটস প্রোগ্রামে বাইডেন বলেন, চলমান মহামারি শেষ। আমাদের এখনও কোভিড নিয়ে সমস্যা আছে, আমরা এ নিয়ে কাজ করছি। তবে এই মহামারির শেষ আমরা দেখে ফেলেছি। আপনারা যদি বাইরে তাকান তাহলে দেখবেন কেউ আর মাস্ক পরছে না। সবাইকেই সুস্থ লাগছে এবং আমার ধারণা, পরিবর্তন...
দূতাবাস সাফ বলে দিয়েছে, বাংলাদেশিরা ইতালি গেলে আর ফিরে আসে না। কাজেই বাংলাদেশের এ দাবা দলকে ভিসা দেওয়া হবে না ঢাকার ইতালির দূতাবাস বাংলাদেশ দাবা দলকে ভিসা দেয়নি। দাবা দল এর আগে ইউরোপে বিভিন্ন দেশে খেলেছে। কখনও ভিসা পেতে সমস্যা হয়নি। এই প্রথম ভিসার আবেদন প্রত্যাখ্যান হওয়ায় ১১-২৩ অক্টোবর ইতালির সার্দিনিয়া শহরে ফিদের তালিকাভুক্ত অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্ব জুনিয়র দাবায় খেলতে পারেনি বাংলাদেশ। প্রথম আলো অনলাইনের প্রতিবেদনে জানানো হয়, এ নিয়ে দাবার বিশ্ব সংস্থা ফিদের কাছে অভিযোগ করে বাংলাদেশ। ঘটনার পরম্পরায় দূতাবাসের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের কাছে দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে। ইতালিতে যেতে চাওয়া বাংলাদেশ জুনিয়র দাবা দলের দলনেতা ও দাবা ফেডারেশনের সদস্য মাহমুদা চৌধুরী বলেন, ‘‘মঙ্গলবার বিকেলে ঢাকার ইতালির দূতাবাসে আমাকে যেতে অনুরোধ করা হয়েছিল। আমি সেখানে গেলে দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশন মাতিয়ে ভেনচুরা বাংলাদেশ দলকে ভিসা না দেওয়ার বিভিন্ন কারণ দেখান। ভিসা না দেওয়ায় তিনি আমার কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং বারবারই ক্ষমা চেয়েছেন।’’ শুধু তা–ই নয়, বাংলাদেশ দলকে ৩ কার্যদিবসের মধ্যে ভিসা দিতে চেয়ে...
‘না ছিল এসি, না ছিল ফ্যান। তপ্ত মরুভূমিতে নিজেকে খাপ খাওয়াতে অনেক কষ্ট হয়েছে। এমনও দিন গেছে, শুধু খুবুজ (রুটি) খেয়ে দিন পার করেছি। মাঝেমধ্যে তো কুয়েতি মালিক গায়ে হাত তুলতেন। এত কিছুর পরও মাস শেষে বেতন পেতাম না। একপর্যায়ে অবৈধ হয়ে যাই। আর অবৈধ হওয়া মানেই তো নিজেকে ঘরবন্দি করে রাখা।’ কথাগুলো বলেছিলেন ফরিদপুর জেলার রাজবাড়ী উপজেলার করিম মিয়া (ছদ্মনাম)। ২০১৫ সালে ভাগ্যের নেশায় কুয়েত আসেন। দালাল বলেছিলেন দোকানের ভিসা। ৪০ থেকে ৪৫ হাজার টাকা বেতন। দালাল আপন চাচা হওয়ায় বিশ্বাস করে তিন লাখ টাকা দিয়ে ভিসা নিয়েছিলেন। কুয়েত এসে দেখেন, কথার সঙ্গে কাজের কোনো মিল নেই। নিয়ে আসেন মরুভূমিতে। করিম মিয়া বলেন, ‘কুয়েতের ওপরা অঞ্চলে মরুভূমিতে আমাকে উট চরানোর কাজ দেওয়া হয়। সারা দিন উট নিয়ে খাটাখাটি করার পর একটু স্বস্তিতে ঘুমাব, সেটাও পারতাম না। না আছে এসি, না আছে ফ্যান। ছিল না ফ্রিজ। গরমে অতিষ্ঠ হয়ে যেতাম। বেতন যেখানে ৪০ থেকে ৪৫ হাজার টাকা দেওয়া কথা, সেখানে দিচ্ছে ৭০ দিনার, যা বাংলাদেশি টাকায় সাড়ে ১৯ হাজার।’ করিম মিয়া আরও বলেন, ‘দেশে থাকতে ভালোই ছিলাম। ৩০ হাজার টাকা ইনকাম করতাম মাসে। আরেকটু বেশি উপার্জন...
Comments
Post a Comment